চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলম (Manzur Alam)-এর বাসায় যান এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ (Hasnat Abdullah)। এরপর বাসার সামনে একদল যুবক নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিয়ে তাকে ঘিরে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকেন—এমন কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
ঘটনাটি নিয়ে মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাতে ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ও জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার (Abu Bakar Majumdar)।
তার পোস্টে দাবি করা হয়, সাবেক মেয়র মনজুর আলম এনসিপির সমর্থনে সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। তিনি লেখেন, “বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে দীর্ঘদিন সাবেক মেয়র মঞ্জু তার রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। আওয়ামী লীগ করেছেন—এমন অনেকেই অভ্যুত্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। মঞ্জু বিএনপি ও আওয়ামী লীগ—উভয় দলেই ছিলেন, এবং ৫ আগস্টের পর বিএনপির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
আবু বাকের মজুমদার আরও উল্লেখ করেন, “আজ যখন হাসনাত আব্দুল্লাহ মেয়র মঞ্জুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন, তখন বিএনপির আরেক পক্ষ সেখানে গিয়ে ‘মব’ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।” তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাবেক মেয়র মনজুর আলম এনসিপির সমর্থনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন—এমন সম্ভাবনাই এই উত্তেজনার পেছনে ভূমিকা রাখছে।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, বিএনপি যেখানে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিভক্ত, সেখানে এনসিপির শক্তিশালী প্রার্থী তাদের জন্য স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগের কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি সারা দেশে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিচ্ছে—এমন পরিস্থিতিতে ‘মব কালচার’ পরিহার করে রাজনৈতিক অধিকার রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
পাশাপাশি কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকারও সমালোচনা করে তিনি বলেন, সঠিক তথ্য তুলে ধরার দায়িত্বশীলতা থাকা উচিত, যাতে বিভ্রান্তিকর ন্যারেটিভ তৈরি না হয়।


