অবন্তীকে ঘিরে ভিডিও বিতর্কে সরব পরীমনি-মিম, ‘পেশাদার সাংবাদিকরা এমন নন’

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ (Siam Ahmed)-এর স্ত্রী শাম্মা রুশাফি অবন্তীকে ঘিরে ভিডিও ধারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে অবন্তী অনুরোধ করেছিলেন তাকে টপ অ্যাঙ্গেল থেকে ভিডিও ধারণ না করতে। তবে সেই অনুরোধ উপেক্ষা করা হলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান—যা মুহূর্তেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ অবন্তীর অবস্থানকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ সমালোচনাও করেছেন। এই বিতর্কের মাঝেই অবন্তীর পাশে দাঁড়িয়ে নিজের অবস্থান জানান ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি (Pori Moni)।

একটি ভিডিও শেয়ার করে পরীমনি ফেসবুকে লেখেন, ‘কেউ ন্যায্য হয়ে শুধু আঙুল তুললেই হলো ব্যাস! সে খারাপ, সেই খারাপ। দুনিয়ার সব দোষ তার।’ তিনি আরও লেখেন, ‘অবন্তীর মতো শান্ত মেজাজের মানুষ হাতে গোনা হয়। যারা তাকে চেনে, তারা নিশ্চয়ই একমত হবে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে আমরা যারা নিয়মিত ক্যামেরার সামনে পড়ি, তারা জানি কী ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়। আমরা কমবেশি সবাই এর ভুক্তভোগী।’

এ সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সুযোগ পেলে তিনি নিজেই কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবেন—এমন ইঙ্গিতও দেন তার কথায়।

পরীমনির এই প্রতিক্রিয়ার পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন আরেক জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম (Bidya Sinha Mim)। অবন্তীর পাশে দাঁড়িয়ে মিম বলেন, প্রকৃত অর্থে পেশাদার সাংবাদিকরা কখনোই এমন আচরণ করেন না।

তার ভাষায়, ‘যারা এ ধরনের কাজ করেন, তারা মূলত কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা বিভিন্ন পেজ পরিচালনাকারী—যাদের মূল লক্ষ্য থাকে ভিউ বাড়ানো। সত্যিকারের সাংবাদিকরা এমন আচরণ করেন না।’

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মিম বলেন, এত বছরের ক্যারিয়ারে তিনি কখনো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি। তবে বড় কোনো অনুষ্ঠানে প্রায়ই দেখা যায়, বাইরের কিছু ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয়ে ঢুকে পড়েন এবং সেখান থেকেই সমস্যা তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যেমন দর্শকদের জন্য দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করেন, তেমনি আমরাও করি। সহকর্মী হিসেবে আপনাদের প্রতি আমাদের আস্থা ও সম্মান রয়েছে। এই সম্পর্কটা সবসময় বজায় থাকা উচিত।’

ঘটনাটি ঘিরে বিনোদন অঙ্গনে এখনো আলোচনা থামেনি। অনেকেই বিষয়টিকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও পেশাগত আচরণের প্রশ্ন হিসেবে দেখছেন।