মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুতই কিউবা (Cuba)-কে ‘দখল’ করবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা (Florida)-তে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন, যা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ট্রাম্প বলেন, কিউবা বর্তমানে নানা সংকটে জর্জরিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি প্রদর্শনেই দেশটি আত্মসমর্পণে বাধ্য হবে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যেখানে কিউবা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেবে।
বক্তব্যে তিনি ইঙ্গিত দেন, সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন (USS Abraham Lincoln)-এর নাম উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের ভাষায়, উপকূলের কাছে এই ধরনের সামরিক উপস্থিতিই কিউবাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করবে।
একই দিনে কিউবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে একটি নির্বাহী আদেশেও স্বাক্ষর করেন তিনি। এতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের পর কিউবাই হবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী লক্ষ্য। তাঁর মতে, খুব শিগগিরই দেশটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রে’ পরিণত হতে পারে।
তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, একটি স্বাধীন দেশকে প্রকাশ্যে ‘দখল’ করার হুমকি আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করে। একই সঙ্গে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।


