যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এমন এক মন্তব্য করেছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২০ মে) যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড একাডেমি (United States Coast Guard Academy)-এর গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরাইলে তাঁর জনপ্রিয়তা অত্যন্ত বেশি।
তিনি বলেন, ‘এই কাজ শেষ করার পর হয়তো আমি ইসরাইলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করব। আজ সকালে একটি জরিপ দেখেছি, সেখানে আমার সমর্থন ৯৯ শতাংশ। এটা তো বেশ ভালো।’
তবে তিনি যে জরিপের কথা উল্লেখ করেছেন, সেটি কোন প্রতিষ্ঠানের বা কী ধরনের জরিপ ছিল, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি। এ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হোয়াইট হাউস (White House)-এর পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য আসেনি।
বর্তমানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন মেয়াদে তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহুর দৃঢ় সমর্থক হিসেবে দেখা হয়।
ইরান-সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি ভালো আছেন। তিনি খুব ভালো মানুষ। আমি যা চাই, তিনি তাই করবেন। আমার কাছে তিনি দারুণ একজন মানুষ।’
এর আগের দিন ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘আরও বড় ধরনের হামলা’ চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন। আবার তার দুই দিন আগে তিনি বলেন, সম্ভাব্য সমঝোতার অগ্রগতির কারণে হামলার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছিল।
নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ভুলে গেলে চলবে না, তিনি যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী। আমার মতে, ইসরাইল তাকে ঠিকভাবে মূল্যায়ন করে না। কিন্তু তিনি একজন যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী, আর আমি মনে করি না তাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হচ্ছে।’
তথ্যসূত্র: ইউএসএ টুডে


