নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ১২ জুন পাঠানো একটি চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই যোগাযোগের মধ্য দিয়ে বেনজীর আহমেদ (Benazir Ahmed)-কে ঘিরে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির তথ্য বাংলাদেশকে জানানো হয়।
এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (Anti-Corruption Commission) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করে। অভিযোগগুলোর তদন্ত চলাকালে দেশের বাইরে থাকা সম্পদ, আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্তও পর্যালোচনা করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসব অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্তের অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
তবে আলোচিত গ্রেপ্তারের বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত (United Arab Emirates) কিংবা বাংলাদেশ (Bangladesh)-এর সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষা এখনো রয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হচ্ছে না। তবে বেনজীর আহমেদকে ঘিরে চলমান তদন্ত ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
