ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও তার কর্মীদের মারধরের ঘটনায় পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সরাইল থানা পুলিশ নথিভুক্ত করে।
রোববার রাতে আনোয়ার হোসেনের মালিকানাধীন ফারজানা আনোয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও তার বাড়ির সামনে জেলা বিএনপির সদস্য এবং সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে ১০০–১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন তামিম মিয়া, রুমিন ফারহানার এক কর্মচারী। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, এ সময় বাদীকে মারধর করা হয় এবং নগদ টাকা লুটে নেওয়া হয়।
রুমিন ফারহানা ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে আমাকে বাধা দেওয়া হয়নি, বরং আজ তাদের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা সাজানো হয়েছে। তিনি বলেন, “পুলিশ প্রশাসনের সামনে পুরো ঘটনা ঘটলেও তারা মূক বধির ছিলেন। নতুন বাংলাদেশ ও নতুন রাজনীতির এ হলো নমুনা।”
এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি রুমিন ফারহানার এক কর্মী আহাদ সরাইল থানায় একই ঘটনায় মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলার প্রধান আসামি ছিলেন সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। এ মামলায় পাঁচ এজহারনামীয় ও ১৪০–১৫০ জন অজ্ঞাতনামা আসামিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভুঁইয়া জানিয়েছেন, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
