১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল এমএজি আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর রাজনৈতিক ও সামরিক প্রস্তুতির মাধ্যমে তিনি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে পুনরায় ফিরে আসেন।
মূল তথ্য:
1. পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকায় গণহত্যা চালায়, যার প্রতিক্রিয়ায় বাঙালি সেনারা বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
2. কর্নেল এমএজি ওসমানী তখন অবসরপ্রাপ্ত, কিন্তু বাঙালি সেনাদের সংগঠিত করতে গোপনে যোগাযোগ শুরু করেন।
3. তেলিয়াপাড়া গোপন বৈঠকে তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন এবং দেশকে ৪টি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সংখ্যা বাড়িয়ে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
4. মুক্তিবাহিনীকে নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনীতে বিভক্ত করা হয়; নিয়মিত বাহিনীতে তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের বাঙালি সেনারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
5. অনিয়মিত বাহিনী বা গণবাহিনী গঠিত হয় বেসামরিক পেশাজীবী ও ছাত্রদের নিয়ে, যারা গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করতেন।
6. স্বাধীনতার পর এমএজি ওসমানী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন।
