জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিন (Monira Sharmin)-এর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানি থেকে নীতিগত কারণে সরে দাঁড়িয়েছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। বিচারপতিদের একজনের সঙ্গে রিট আবেদনকারীর গ্রামের বাড়ির মিল থাকায় বিষয়টি অন্য বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে বিচারপতি আহমেদ সোহেল (Ahmed Sohel) ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার (Fatema Anowar)-এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়। রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও মোস্তাফিজুর রহমান খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এম রুহুল কুদ্দুস কাজল (M Ruhul Quddus Kajal)।
শুনানির শুরুতেই আদালত অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানান, বেঞ্চের একজন বিচারপতির গ্রামের বাড়ি এবং রিট আবেদনকারীর বাড়ি একই এলাকায়। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে আদালত রিটটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে মামলাটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের ২০ নম্বর বেঞ্চে পাঠানো হয়, যেখানে বিচারপতি রাজিক আল জলিল (Raziq Al Jalil) ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী (Debashish Roy Chowdhury) দায়িত্বে রয়েছেন।
পরবর্তীতে রিটকারীর আইনজীবীরা সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে বিষয়টি মেনশন করলে আদালত আবেদনটি মঙ্গলবার (৫ মে) শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল তিনি আপিল করলেও তা নির্বাচন কমিশন (Election Commission) খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তিনি।


