জু’\লাই আন্দোলনে নি’\হতদের পরিবার ও আ’\হতদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম (Aminul Islam)। শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জু’\লাই আন্দোলনের বিভিন্ন স্পট পরিদর্শনে গেলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তার সামনে ক্ষোভ ও হতাশার কথা তুলে ধরেন।
পরিবারগুলোর অভিযোগ, জু’\লাই আন্দোলনের ঘটনায় অভিযুক্ত অনেক আসামি এখনও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানান তারা।
এ সময় উপস্থিত আন্দোলনে আ’\হত ও নি’\হতদের স্বজনরা দ্রুত বিচার ও আসামিদের গ্রে’\প্তারের দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, মামলার পরও অনেক ঘটনায় তদন্ত ধীরগতিতে চলছে।
তবে উত্তরা বিভাগ পুলিশ (Uttara Division Police)-এর সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুল ইসলাম রনি বলেন, আসামিদের গ্রে’\প্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলেই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, “থানায় জু’\লাই আন্দোলন নিয়ে যত মামলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালে সবগুলোর তদন্ত হবে।” তিনি আরও জানান, জু’\লাই আন্দোলনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, উত্তরায় জু’\লাই আন্দোলনে মুগ্ধসহ ১০ জন হ’\ত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত একটি তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা হয়েছে। বাকি ঘটনাগুলোর তদন্তও চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর উত্তরা (Uttara) ছিল জু’\লাই আন্দোলনের অন্যতম বড় হটস্পট। সরকারি হিসাবে সেখানে নি’\হত হয়েছেন ৭৩ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা ৮১ বলে দাবি করা হয়। এছাড়া আ’\হত ও গু’\লিবিদ্ধ হন আড়াই শতাধিক মানুষ।
