জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman) বলেছেন, একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা করে দিতেই বাংলাদেশের চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। বুধবার সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি শাপলা চত্বরে নিহতদের স্মরণ করেন। পাশাপাশি বিরোধী দলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পে তারা সমর্থন জানিয়েছেন, যা ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি দৃষ্টান্ত।
তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতে যদি দেশে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হয়, তাহলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—উভয় ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রকে আরও সক্ষম করে তুলতে হবে। তার ভাষায়, গণতন্ত্রকে টেকসই করতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
এর আগে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর যাদের দায়িত্ব ছিল শহীদদের একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা, তারা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেননি।
তিনি অভিযোগ করেন, শহীদদের তালিকা প্রণয়নের মতো সংবেদনশীল বিষয়েও রাজনৈতিক প্রভাব যুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কারণে একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি।
তারেক রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী মানুষের অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন এবং তাদের নির্ভুল তথ্য সংরক্ষণ রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। কারণ তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
