মক্কা চুক্তি ‘আত্মরক্ষামূলক সামরিক জোট’, আপাতত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেই: পাকিস্তান

পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে গত মাসে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক মক্কা চুক্তিকে মূলত একটি ‘আত্মরক্ষামূলক সামরিক জোট’ হিসেবে বর্ণনা করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এই মুহূর্তে চুক্তিটিতে নতুন কোনো দেশকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছে ইসলামাবাদ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রকে হুতি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক সৌদি আরব আক্রমণের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে পাকিস্তান কীভাবে তা মোকাবিলা করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র চুক্তিটির প্রকৃতি ও পরিধি নিয়ে এই ব্যাখ্যা দেন।

মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, মক্কা চুক্তিটি মূলত প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য আত্মরক্ষামূলক সামরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা। তবে চুক্তির আওতা এই মুহূর্তে আরও বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, চুক্তিতে বর্তমানে থাকা তিন দেশের বাইরে অন্য কোনো নতুন দেশকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। ফলে ঐতিহাসিক এই চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও আপাতত পাকিস্তানের অবস্থান হচ্ছে, এর সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।

মক্কা চুক্তির সামরিক ও নিরাপত্তাগত চরিত্রের ওপর জোর দিয়ে পাকিস্তান স্পষ্ট করেছে, এটি মূলত তিন দেশের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামো হিসেবেই কাজ করবে।

সূত্র: আল জাজিরা