খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানা ও রংপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে সিঁড়ির গেটের তালা ভেঙে ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে একই পরিবারের চারজনের লা’শ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে প্রার্থীর লা’শ পাওয়া যায় সিঁড়িঘরে। আর তাদের ছেলে প্রীয়মের লা’শ উদ্ধার করা হয় একটি খাটের নিচ থেকে। একই পরিবারের চারজনের এমন রহস্যজনক মৃ’ত্যুর ঘটনায় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আপাতত আমরা ধারণা করছি, তাদের হ’ত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
ঘটনার খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে এবং কখন পরিবারের চার সদস্যের মৃ’ত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে লা’শগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
মাছুয়াপাড়া এলাকায় একই পরিবারের চারজনের এই রহস্যজনক মৃ’ত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাদের মৃ’ত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পেছনে কী রয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।


