দুই বছর আগে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে আলোচনায় এসেছিলেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। জার্মানির আইন অনুযায়ী ওই বয়সী কিশোররা রাত ১২টার পর বাইরে থাকতে পারে না। সেই বিধিনিষেধের কারণে জরিমানা গুনেই ইউরোতে ইয়ামালকে খেলিয়েছিল স্পেন।
তবে শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও তখন আলোচনায় ছিলেন ইয়ামাল। স্টেডিয়ামে প্রেমিকা অ্যালেক্স পাদিলাকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। স্পেনের ইউরো জয়ের পর পাদিলাকে ইয়ামালের সঙ্গে মাঠে নেমে ট্রফির পাশে ছবি তুলতে দেখা যায়। পরে স্পেনে ফিরে শিরোপা উদযাপনেও দুজনকে একসঙ্গেই দেখা গিয়েছিল।
কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। কিছুদিনের মধ্যেই সমবয়সী অ্যালেক্স পাদিলার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটে। সেই বিচ্ছেদের পর বার্সেলোনার এই তরুণ ফুটবলার মানসিকভাবে কিছুটা অস্থির সময় পার করেন।
এরপর আর্জেন্টাইন শিল্পী নিক্কি নিকোলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের খবর সামনে আসে। কিন্তু ২০২৫ মৌসুমে লা লিগা জয়ের পর সেই সম্পর্কও ভেঙে যায়। এরপর ফাতি ভাসকেস ও ক্লদিও বাভেলের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় ইয়ামালকে। দুজনই প্রাপ্তবয়স্কদের বিনোদন জগতের পরিচিত মুখ।
বিশ্বকাপের আগে আবারও নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন শুরু হয়। গত মে মাসে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২১ বছর বয়সী স্প্যানিশ ইনফ্লুয়েন্সার ইনেস গার্সিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন ইয়ামাল। বিশ্বকাপ চলাকালে স্পেনের একাধিক ম্যাচে গ্যালারিতে ক্যামেরায় ধরা পড়েন ইনেস। ফাইনালের পর ইয়ামালের সঙ্গে ট্রফি হাতে ছবি তোলা, উদযাপন করা এবং একে অপরকে আলিঙ্গন করতে দেখা যায় তাঁদের।
এখন ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটাই প্রশ্ন—ইনেস গার্সিয়ার সঙ্গে ইয়ামালের এই সম্পর্ক কি দীর্ঘস্থায়ী হবে? গত দুই বছরে তিনটি সম্পর্ক ভেঙেছে স্পেনের এই তরুণ তারকার। তাই অনেকের কাছেই শিরোপা জয় আর প্রেমের সম্পর্ক যেন অদ্ভুত এক কাকতালীয় সমীকরণে বাঁধা। ইউরোর পর যেমন সম্পর্ক ভেঙেছিল, এবার বিশ্বকাপ জয়ের পর ইনেস গার্সিয়ার সঙ্গে সেই সমীকরণ বদলায় কি না, সেটাই দেখার অপেক্ষা।


